ডিসি সারওয়ার আলমের মতো অফিসার কম, তবে শূন্য নয়। তিনি নিজেই একটা ব্র্যান্ড। সুতরাং তাকে পরিচয় করিয়ে দেওয়ার মতো কিছু নেই। তিনি এক সময় ভেজাল বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে বহু অসাধু ব্যবসায়ীকে জেলে পুরেছেন।
পেলে জানে হাজার মাইল দূরে তার বাবা অন্যের টেলিভিশনের সামনে দাঁড়িয়ে ছেলের খেলা দেখছেন। অথবা রেডিওতে ধারাবিবরণী শুনছেন। পেলের মনে আছে আট বছর আগে কীভাবে তার বাবা কেঁদেছিলেন। সে তার বাবাকে এবারও কাঁদাতে চায়, তবে এবার যেন সেই অশ্রু হয় আনন্দের। গর্বের। স্বপ্ন পূরণের।
প্রবাসজীবনের প্রথম দিকের সংগ্রাম তাকে শিখিয়েছে ধৈর্য, সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনা এবং শৃঙ্খলার গুরুত্ব, যা পরবর্তী সময়ে তার নেতৃত্বের মূল ভিত্তি হয়ে দাঁড়ায়।
ইতিহাস বলছে, মধ্যপ্রাচ্যের কোনো সংকটই একটি চুক্তির মাধ্যমে স্থায়ীভাবে শেষ হয়নি। বর্তমান সমঝোতাও তার ব্যতিক্রম হবে কি না, তা সময়ই বলে দেবে। তবে একটি বিষয় স্পষ্ট—এই যুদ্ধের পর মধ্যপ্রাচ্যের রাজনীতি আগের অবস্থায় আর ফিরবে না।
এক চিপায় রোনালদো বসে বসে খেলা দেখছিলেন। বিগ ফ্যান! বিশ্বাসই করতে পারছি না এই লোকটাই ব্রাজিলকে ২০০২ বিশ্বকাপ এনে দিয়েছিল।
চর সিঙ্গুইর গ্রামে পৌঁছে নামের সঙ্গে গ্রামের পরিবেশের এক অদ্ভুত মিল খুঁজে পেলাম। যে বাড়িতে আমরা পৌঁছালাম, তার ঠিক পেছনেই বিশাল জলাভূমি। কচুরিপানায় ভরা সেই জলরাশি দেখতে যেন এক জীবন্ত চিত্রকর্ম। কয়েকজন কিশোর জাল ফেলে মাছ ধরার চেষ্টা করছে। তাদের হাসি আর চিৎকারে চারপাশ মুখরিত।
রুয়ান্ডার সমাজে দীর্ঘদিন ধরে হুতু ও তুতসি পরিচয় বিদ্যমান ছিল। কিন্তু এই পরিচয়কে যখন রাজনৈতিক অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করা শুরু হলো, তখন একটি সাধারণ সামাজিক বিভাজন ভয়াবহ সংঘাতে রূপ নেয়।
বাংলাদেশের জন্য সবচেয়ে বড় প্রশ্ন হলো, আমরা কি এখনো নিজেদের একটি ক্ষুদ্র উন্নয়নশীল অর্থনীতি হিসেবে দেখব, নাকি ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চলের উদীয়মান কৌশলগত রাষ্ট্র হিসেবে নিজেদের অবস্থান পুনর্নির্ধারণ করব? জি৭-এর বার্তা আসলে সেই প্রশ্নটিই নতুন করে সামনে এনেছে।
এশিয়ান বাবাদের কত রকম বাহানা শুনি। এটা খেতে পারেন না তো ওটা করে দিতে হয়। আম্মি চাকরিতে চলে যাওয়ার পর আমার আব্বু খুকির মার রান্না করা খাবার মাসের পর মাস খেয়েছেন, নিজের কাজ নিজে করেছেন, আমাদের একটা নিরাপদ জায়গায় মানুষ করেছেন। কোনো অভিযোগ শুনিনি।
পরিচ্ছন্ন ও টেকসই বাংলাদেশ গড়ে তুলতে প্রয়োজন সঠিক পরিকল্পনা, রাজনৈতিক সদিচ্ছা, আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার এবং সর্বোপরি নাগরিক সচেতনতা। আমরা যদি বর্জ্যকে সমস্যা নয়, সম্পদ হিসেবে দেখতে শিখি, তবে ভবিষ্যতের বাংলাদেশ হতে পারে আরও পরিচ্ছন্ন, স্বাস্থ্যকর ও পরিবেশবান্ধব।
ফরাসি সমাজে অধিকাংশ পরিকল্পনা অনেক আগে থেকেই নির্ধারিত থাকে। তবুও মাত্র চার দিনের নোটিশে তারা যেভাবে আমার জন্য একটি বিদায় অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছিলেন, তা আমার জীবনের সবচেয়ে স্মরণীয় ঘটনাগুলোর একটি হয়ে থাকবে।
অমৃতের সন্ধানে সিম সিম সিনেমা বলে কালো দরজা খুলে গেলে আমরা পর্দায় যা দেখি …।
ইতিহাস সাক্ষ্য দেয়, কোনো বর্বরতাই চিরস্থায়ী হতে পারেনি। তাই প্রশ্ন হলো আমরা কোন পাশে গিয়ে দাঁড়াব? উত্তরাধিকারের পক্ষে, নাকি ক্রমবিবর্তনের পক্ষে?
আজ আমরা সন্তানদের ডাক্তার, প্রকৌশলী, আমলা, শিক্ষক বা বড় কর্মকর্তা বানানোর জন্য সর্বস্ব ব্যয় করছি। ভালো স্কুল, কোচিং, বিশ্ববিদ্যালয়—সবকিছুর পেছনে ছুটছি। কিন্তু আমরা কি সমান গুরুত্ব দিয়ে তাদের মানুষ হওয়ার শিক্ষা দিচ্ছি?
বর্তমান ভূরাজনৈতিক বাস্তবতায় তারেক রহমানের সামনেও সেই একই সুযোগ উন্মুক্ত। ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের পর বাংলাদেশ একটি নতুন রাজনৈতিক অধ্যায়ে প্রবেশ করেছে। নতুন বাংলাদেশ যদি আঞ্চলিক কূটনীতিতে সক্রিয় ভূমিকা নেয়, তাহলে তা কেবল দেশের জন্য নয়, গোটা দক্ষিণ এশিয়ার জন্যই একটি যুগান্তকারী সুযোগ হতে পারে।
রামিসার ঘটনায় মানুষ রাস্তায় নেমেছে এটি ইতিবাচক দিক। কারণ, জনসচেতনতা তৈরি করতে সামাজিক প্রতিবাদের বিকল্প নেই। রাষ্ট্র ও নীতিনির্ধারকদের জবাবদিহির মুখোমুখি করতেও এ ধরনের আন্দোলন গুরুত্বপূর্ণ।
ইতিহাস বলছে, সংখ্যাগুরুদের আধিপত্য ও সংখ্যালঘুদের ওপর নিপীড়ন রাষ্ট্র ভাঙনের পথ তৈরি করতে পারে। এ কারণেই ভারত ভাগ হয়ে পাকিস্তান হয়েছিল, আবার পাকিস্তান ভেঙে বাংলাদেশ জন্ম নিয়েছিল।
একটি দেশের ফুটবলারদের মান তৈরি হয় প্রতিনিয়ত উচ্চমানের প্রতিযোগিতার মুখোমুখি হওয়ার মাধ্যমে। যখন একজন খেলোয়াড় বারবার দুর্বল প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে খেলেন, তখন তার ব্যক্তিগত উন্নতি থেমে যায়।
আমাদের সবার প্রয়াস একটিই, আগামী জুন মাসের ২০ ও ২১ তারিখে, ডালাসের চিলড্রেন্স থিয়েটার মঞ্চে, আমরা হুমায়ূন ভক্ত হিসেবে তার ভক্তদের জন্য মিসির আলীর জাদু পরিবেশন করব।
আমি বের হয়ে নিজেই বারান্দায় চলে গেলাম। চোখ মুছে ফেলতে হবে। সারা দিনের কাজ বাকি। আমার নিজের মা, যিনি একই রকম কষ্ট করে আমাকে মানুষ করেছেন, কত হাজার মাইল দূরে তিনি। আমার আব্বু তার সাথে নেই। একটু তার হাত ধরে বসে থাকতে ইচ্ছে করছে।

বর্তমান ভূরাজনৈতিক বাস্তবতায় তারেক রহমানের সামনেও সেই একই সুযোগ উন্মুক্ত। ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের পর বাংলাদেশ একটি নতুন রাজনৈতিক অধ্যায়ে প্রবেশ করেছে। নতুন বাংলাদেশ যদি আঞ্চলিক কূটনীতিতে সক্রিয় ভূমিকা নেয়, তাহলে তা কেবল দেশের জন্য নয়, গোটা দক্ষিণ এশিয়ার জন্যই একটি যুগান্তকারী সুযোগ হতে পারে।
২৭ মে ২০২৬